প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 19, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jan 28, 2026 ইং
চট্টগ্রাম-২ প্রার্থী আলমগীর'র বিরুদ্ধে আবারও সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ : জামায়াত আইনজীবী

চট্টগ্রাম -২ (ফটিকছড়ি) আসনের ধানের শীষের প্রার্থীকে ঠেকাতে মরিয়া জামায়াত। প্রার্থী আলমগীরের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার রায়ের বিরুদ্ধে আবারও সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর পক্ষের আইনজীবী। ফলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) রিটার্নিং কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত নথিপত্র প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত হয়। যা মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শীর্ষ নেতিবাচক আলোচনায় নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ব্যাপক সমালোচিত হয়।
জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমীন সারোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে চেম্বার জজ আদালতে সিভিল পিটিশন দায়ের করেছেন।
এর আগে সংশ্লিষ্ট আদালতের রায়ে আলমগীর সাহেবের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হলে এলাকায় স্বস্তির আবহ তৈরি হয়। তবে ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার মাধ্যমে পুনরায় মামলা বিচারাধীন অবস্থায় চলে যায়। ফলে আসন্ন নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একের পর এক আইনি পদক্ষেপের কারণে ফটিকছড়ির সাধারণ মানুষ সার্বক্ষণিক আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে নির্বাচন ঘিরে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।
সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী আহসানুল করিম, বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়েজী ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আইনগত প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পরই এ বিষয়ে স্পষ্টতা আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
উল্লেখ্য: এর আগে
গত পিটিশনে বিবাদী করা হয়েছে সারোয়ারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘হালদা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড অ্যান্ড আদার্স’-কে এবং অভিযোগ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি ঋণখেলাপি।
চেম্বার জজ রেজাউল হক পিটিশনটি শুনানি জন্য আপিল বিভাগের ফুল বেঞ্চে প্রেরণ করেন।
ধানের শীষের প্রার্থীর আইনজীবীর তথ্যমতে, সারোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলো পরিকল্পিত।
সরওয়ার আলমগীরের পক্ষ থেকে অর্থ পরিশোধ এবং অনাপত্তিপত্র ইস্যুর ফলে পরিস্থিতি তার অনুকূলে আসবে। সারোয়ার আলমগীর ঋণখেলাপি নন এবং তিনি বিধি অনুযায়ী ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করেছেন।
আইনী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জামায়াতের পক্ষ প্রতিদিন নতুন নতুন পিটিশন দিয়ে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তবে শেষ মুহূর্তের আইনী সমাধান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতায় সারোয়ার আলমগীর নির্বাচনী দৌড়ে রয়েছেন। আদালত পাড়ায় বিষয়টি নিয়ে গড়ে উঠেছে হাস্যরসও।
© স্বত্বাধিকারঃ S Vision 24 News
কারিগরি সহযোগিতায়:
CTG IT Soft