মোহাম্মদ মাসুদ
রাজনীতি'র সৌন্দর্য্য, সবাই একসাথে গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসমর্থন জনগণকে তার এবং তার দলের পক্ষে নেওয়ার অভিনব কৌশল কষ্ট সহজ সাধ্য নয়। সেই চ্যালেঞ্জ অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন তিনি। তার ইঞ্জিনিয়ারিং এর একমাত্র শক্তি জনসমর্থন জনগণের আস্থা অর্জন। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচনী সফলতা বিজয়ের পেছনে ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রশ্নের উত্তরে প্রশংসিত আলোচিত হয়েছেন দেশ বিশ্ব সর্ব মহলে।
আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) জামায়াতের আমীরের বাসভবনে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
দেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক ভেদাভেদ মতপার্থক্য দূরত্ব নয়। প্রয়োজন জাতীয় সকলের সহায়তা সহযোগিতা। ঐক্যের বিকল্প নাই।
সৌজন্যবোধ বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা সুস্থ গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।
রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন রাজনীতিতে সৌজন্যবোধ আর পারস্পরিক শ্রদ্ধাই হলো সুস্থ গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। ন্যায় পরায়ণতায পরস্পরের প্রতি সম্মান ও রাজনৈতিক সহাবস্থান খুবই প্রয়োজন ।
এই সৌজন্য উপস্থিতি কেবল একটি সাক্ষাৎ নয়, বরং আগামীর সুন্দর ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের এক অনন্য প্রতিফলন।
মুহূর্তের মধ্যেই প্রশংসায় আলোচনায় ইতিবাচক আলোচিত হয়েছেন সর্ব মহলে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং গণমাধ্যম এবং সর্বস্তরের মানুষের মনে প্রাণে জায়গা করে নিয়েছেন দেশ নেতা তারেক রহমান।
সর্বমহলের প্রশংসায় পঞ্চমুখে আলোচিত হয়েছেন তিনি। বিরোধ বিভেদ নয়, বরং হৃদ্যতা আর সংহতির মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলবো এক বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ। এই সুন্দর মুহূর্তগুলো আমাদের মনে আশার আলো জাগায়। প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করলেই সুন্দর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
এটাই রাজনীতি'র সৌন্দর্য্য, সবাই একসাথে গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
রাজনৈতিক শিষ্টাচার এমন হওয়া উচিৎ। শুধু নেতাদের মধ্য নয়। কর্মীদের মধ্যে এমন ভ্রাত্বৃত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরি হওয়া উচিৎ সকল দল-মত রাজনীতি দলের । সর্বপরি কাঁদা ছোড়ার রাজনীতি পরিহার হোক!
হোক প্রতিহিংসামুক্ত সম্প্রীতির রাজনীতি। প্রতিপক্ষ দলের প্রতি সৌজন্য সাক্ষাৎ সম্প্রীতি বিনিময় সোহার্দ প্রকাশে এই কাজটা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে জন্ম থেকে প্রজন্ম। প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিক সচেতন মহল সর্বস্তরের জনসাধারণ। দেশ প্রেমিক রাজনীতিবিদ ও জনগণ।
নিউজটি পোস্ট করেছেন :
ডেস্ক রিপোর্ট